শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন
নারায়ণগঞ্জের খবরঃ লাগামহীন ভাবে বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য দ্রব্যের দাম। করোনার প্রভাবে বাজারে ক্রেতার সংখ্যা কম তবু ও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি, মাছ, মাংস, চাল, ডাল, ভোজ্যতেল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য দব্য।
গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রকার ভেদে সবজি বৃদ্বি পেয়েছে কেজিপ্রতি ৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত।খুচরা বাজারে কেজিতে সাত থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্বি পেয়েছে চালের বাজারে। এছাড়া ১০ থেকে ২০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন প্রকারের প্রতিকেজি ডাল। প্রতি লিটারে তিন থেকে পাঁচ টাকা পর্যন্ত বাড়তি রাখা হচ্ছে খোলা ভোজ্যতেলের দাম।
তবে কমেছে মুরগি ও ডিমের দাম। এছাড়া আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন মসলার বাজার। তবে অপরিবর্তিত আছে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম।
এদিকে নিত্যপণ্যের বাজার চড়া নিয়ে ভিন্ন মত দেখা গেছে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে। বিক্রেতারা বলছেন, করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে বাজারে মালমালের সরবরাহ কম হওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে পণ্যের। আর ক্রেতারা বলছেন, করোনা ভাইরাস আতঙ্ক নয়, বেশি মুনাফার আশায় সংকটকালীন সময়ে দাম বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
সরজমিনে ফতুল্লা বাজার সহ থানা এলাকার রেল স্টেশন কাঁচা বাজার, রেল লাইন বটতলা বাজার, হক বাজার,সরদার বাড়ী বৌ বাজার ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।
এসব বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি পাঁচ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে প্রকারভেদে আলু বিক্রি হচ্ছে ২৮ থেকে ৩৫ টাকা, , সিম ৫০ থেকে ৬০ টাকা, টমেটো ৪০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকা, করলা ১০০ থেকে ১১০ টাকা, বেগুন ৭০ থেকে ১০০ টাকা, গাজর বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৮০ টাকা, পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শসা ৫০ থেকে ৮০ টাকা, সিমের বিচি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে প্রতি আঁটিতে (মোড়া) তিন থেকে পাঁচ টাকা বেড়ে এখন প্রতি মোড়া কচু শাক ১২ থেকে ১৫ টাকা, লাল শাক ১৫ টাকা, মূলা ১৫ থেকে ২০ টাকা, পালং শাক ১৫ টাকা থেকে ২০, লাউ ও কুমড়া শাক ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।
এছাড়া ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, প্রতি পিস বাঁধাকপি-ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্র করতে দেখা গেছে।
Leave a Reply